ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) হামিদুজ্জামান খান
১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বকারী ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়। এটি ছিল বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক অর্জন, যেখানে দেশের শিল্পকলা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা হয়েছিল।
**হামিদুজ্জামান খান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী।
— তার জন্ম ১৯৪৬ সালে, মৃত্যু ২০২১ সালে।
— তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের চিত্রকলা ও ভাস্কর্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
— তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে "সংশপ্তক", "অপরাজেয় বাংলা", এবং "মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য"।
— তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
— তার শিল্পকর্ম দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
— তিনি বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত হন।
— তার শিল্পকর্মে স্বদেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধ ও মানবিক মূল্যবোধ ফুটে উঠেছে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ শামীম সিকদার: তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও তার শিল্পকর্ম ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে প্রদর্শিত হয়নি।
✗ সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ: তিনি একজন চিত্রশিল্পী হলেও তার শিল্পকর্ম সিউল অলিম্পিকে স্থান পায়নি।
✗ আবদুস সুলতান: তিনি একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও তার শিল্পকর্ম সিউল অলিম্পিকে প্রদর্শিত হয়নি।
উৎস:
— বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃক প্রকাশিত "বাংলাদেশের শিল্পকলা"।
— বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রকাশনা "হামিদুজ্জামান খান: জীবন ও কর্ম"।
— "সিউল অলিম্পিক ১৯৮৮: বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড" (বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশনা)।