ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) Holy place
<সাধারণ জ্ঞানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কিত ভূমিকা>
বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতিতে তীর্থযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য। ধর্মীয় কারণে মানুষ নিজ দেশ বা বিদেশের পবিত্র স্থানসমূহে যাত্রা করে থাকে, যাকে ইংরেজিতে "Pilgrim" বলা হয়। বাংলাদেশেও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ তীর্থস্থানে যান, যেমন মুসলমানরা মক্কা-মদিনায়, হিন্দুরা গঙ্গাসাগর বা পুরীতে, খ্রিস্টানরা জেরুজালেমে ইত্যাদি।
**"Pilgrim" সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **"Pilgrim" শব্দটির উৎপত্তি:** ইংরেজি "Pilgrim" শব্দটি ল্যাটিন *peregrinus* থেকে এসেছে, যার অর্থ "বিদেশী" বা "ভ্রমণকারী"। প্রাচীনকালে যারা ধর্মীয় কারণে দূরদেশে ভ্রমণ করতেন তাদেরকে এই নামে অভিহিত করা হতো।
— **"Pilgrim" এর সংজ্ঞা:** একজন তীর্থযাত্রী হলেন এমন ব্যক্তি যিনি ধর্মীয় কারণে, আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য বা বিশেষ ধর্মীয় স্থানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দীর্ঘ ভ্রমণ করেন।
— **"Pilgrim" এর উদাহরণ:**
- মুসলমানদের জন্য **হজ্জ ও ওমরাহ** পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা ও মদিনায় যাওয়া।
- খ্রিস্টানদের জন্য **জেরুজালেম, ভ্যাটিকান সিটি** বা অন্যান্য পবিত্র স্থান পরিদর্শন।
- হিন্দুদের জন্য **গঙ্গাসাগর, পুরী জগন্নাথ মন্দির, অমরনাথ যাত্রা** ইত্যাদি।
- বৌদ্ধদের জন্য **বুদ্ধগয়া, লুম্বিনী** ইত্যাদি।
— **"Pilgrim" এর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব:** তীর্থযাত্রা অনেক ধর্মেই একটি ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি বিশ্বাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি করে। অনেক ধর্মগ্রন্থেও তীর্থযাত্রার কথা উল্লেখ রয়েছে, যেমন ইসলামে হজ্জ ফরজ করা হয়েছে।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) **Mosque**: মসজিদ একটি ধর্মীয় স্থান হলেও, "Pilgrim" বলতে শুধু মসজিদ নয়, বরং সমস্ত ধর্মের পবিত্র স্থানকে বোঝায়। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
✗ খ) **A new country**: নতুন দেশে যাওয়া মানেই তীর্থযাত্রা নয়। তীর্থযাত্রা অবশ্যই ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্যে হতে হবে।
✗ ঘ) **Bazar**: বাজার হলো সাধারণ ক্রয়-বিক্রয়ের স্থান, যার সাথে ধর্মীয় তীর্থযাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই।
উৎস:
- Oxford Advanced Learner’s Dictionary (Pilgrim শব্দটির সংজ্ঞা)
- ইসলাম ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন (হজ্জ সম্পর্কিত আয়াত)
- হিন্দু ধর্মগ্রন্থ পুরাণ (তীর্থস্থান সম্পর্কিত বর্ণনা)
- খ্রিস্টান ধর্মগ্রন্থ বাইবেল (জেরুজালেমের গুরুত্ব সম্পর্কিত বিবরণ)