ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ৯ এপ্রিল, ২০০২
**আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বাংলাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ আইন প্রণয়ন করে। এর মধ্যে অন্যতম হলো **"আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন"**। এই আইনের মাধ্যমে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
---
**আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— এই আইনটি **২০০২ সালে** প্রণীত হয় এবং জাতীয় সংসদে **৯ এপ্রিল, ২০০২ তারিখে** পাস হয়।
— আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো **দ্রুত বিচারের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা** এবং গুরুত্বপূর্ণ অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তি করা।
— এই আইনের অধীনে **বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়**, যা সরকার কর্তৃক মনোনীত বিচারকদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
— আইনে **জামিন অযোগ্য অপরাধগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে**, যাতে দ্রুত বিচার সম্ভব হয়।
— এই আইনের মাধ্যমে **বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততর করার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে**, যেমন অভিযোগ গঠনের পর বিচার শুরু হওয়ার সময়সীমা।
— আইনটি **বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদের অধীনে প্রণীত হয়েছে**, যা নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
— এই আইনের অধীনে **বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়**।
---
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ **ক) ১৭ এপ্রিল, ২০০২**: এই তারিখটি আইনটি পাস হওয়ার সঠিক তারিখ নয়। এটি ভুল তথ্য।
✗ **গ) ১৮ মার্চ, ২০০২**: এই তারিখটি আইনটি পাস হওয়ার পূর্ববর্তী মাসের তারিখ, যা সঠিক নয়।
✗ **ঘ) ৩ এপ্রিল, ২০০২**: এই তারিখটি আইনটি পাস হওয়ার কাছাকাছি হলেও সঠিক তারিখ নয়।
---
**উৎস:**
১. *"বাংলাদেশের আইন-কানুন"* — বাংলাদেশ সরকারের আইন ও বিচার বিভাগ প্রকাশিত বই।
২. *"জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী"* — ৯ এপ্রিল, ২০০২ তারিখের সংসদ অধিবেশন।
৩. *"দ্রুত বিচার আইনের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ"* — বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রকাশিত রিপোর্ট।