ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) বৃষ্টির কণা
রংধনু সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। প্রকৃতিতে আলোর বিভিন্ন ধর্মের কারণে সৃষ্ট এই মনোরম দৃশ্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
**রংধনু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— রংধনু হলো আলোর প্রতিসরণ, প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণের ফলে সৃষ্ট একটি আলোকীয় ঘটনা। এটি সাধারণত বৃষ্টির পর সূর্যের বিপরীতে আকাশে দেখা যায়।
— রংধনু সৃষ্টির মূল কারণ হলো সূর্যের আলো বৃষ্টির কণার মধ্য দিয়ে প্রতিসৃত হওয়ার সময় বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ভিন্ন ভিন্ন কোণে বিচ্ছুরিত হয়।
— সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির কণায় প্রবেশ করে, তখন আলো প্রতিসৃত হয় এবং কণার ভেতর থেকে প্রতিফলিত হয়ে আবার প্রতিসৃত হয়ে আমাদের চোখে আসে। এই প্রক্রিয়ায় আলোর সাতটি রং (বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল) আলাদা হয়ে যায়।
— রংধনুর কেন্দ্রবিন্দু সূর্যের দিকে থাকে এবং এটি সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে দেখা যায়। সাধারণত সূর্যের উচ্চতা যত কম থাকে, রংধনু তত বেশি দৃশ্যমান হয়।
— রংধনু একটি পূর্ণ বৃত্তাকার চাপ হিসেবে দেখা যায়, তবে ভূমি থেকে সাধারণত শুধু অর্ধেক অংশই দৃশ্যমান হয়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ধুলিকণা: ধুলিকণা আলোর বিচ্ছুরণ ঘটাতে পারে, তবে তা রংধনু সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট নয়। রংধনু সৃষ্টির জন্য প্রয়োজন বৃষ্টির কণা।
✗ খ) বায়ুস্তর: বায়ুস্তর আলোর প্রতিসরণ ঘটাতে পারে, কিন্তু তা রংধনু সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট নয়। রংধনু সৃষ্টির জন্য প্রয়োজন বৃষ্টির কণা।
✗ ঘ) অতিবেগুনি রশ্মি: অতিবেগুনি রশ্মি মানুষের চোখে দৃশ্যমান নয় এবং এটি রংধনু সৃষ্টির কারণ নয়। রংধনু সৃষ্টির জন্য দৃশ্যমান আলোর প্রয়োজন হয়।
**উৎস:**
— মাধ্যমিক স্তরের পদার্থবিজ্ঞান বই (অধ্যায়: আলোর প্রতিসরণ ও প্রতিফলন)
— সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক
— জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত বিজ্ঞান বিষয়ক রেফারেন্স বই