সঠিক উত্তর: (ক) দ্বন্দ্ব সমাস
‘আলোছায়া’ পদটি দ্বন্দ্ব সমাসের অন্তর্গত।
**দ্বন্দ্ব সমাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— দ্বন্দ্ব সমাস হলো এমন এক ধরনের সমাস যেখানে সমস্যমান পদ দুটি একই জাতীয় পদ হয় এবং উভয় পদই প্রধান অর্থ বহন করে।
— এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে সম্বন্ধ স্থাপনের জন্য কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না, বরং পদ দুটি মিলিত হয়ে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
— উদাহরণ: আলো ও ছায়া মিলে ‘আলোছায়া’, মাতা ও পিতা মিলে ‘মাতাপিতা’, রাজা ও প্রজা মিলে ‘রাজাপ্রজা’।
— দ্বন্দ্ব সমাসের পদ দুটি সাধারণত বিপরীতার্থক বা সমার্থক হয়ে থাকে।
— এই সমাসের পদ দুটির মধ্যে সম্বন্ধ স্থাপনের জন্য কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না বলে একে ‘দ্বন্দ্ব’ বা ‘যুগ্ম’ সমাস বলা হয়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) অব্যয়ীভাব সমাস: অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং পরপদের অর্থ গৌণ হয়। যেমন: ‘আজন্ম’ (জন্ম থেকে)।
✗ গ) তৎপুরুষ সমাস: তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে। যেমন: ‘গৃহস্থ’ (গৃহে থাকে যে)।
✗ ঘ) কর্মধারয় সমাস: কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং পূর্বপদ বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ‘মহাজন’ (মহান যে জন)।
উৎস:
- বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ (ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ)
- বাংলা একাডেমি ব্যাকরণ সমগ্র
- বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক