ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) sinful — sloth
<ক্রোধ সম্পর্কিত একটি প্রবাদ বা উক্তির প্রাসঙ্গিক ভূমিকা>
ক্রোধ মানুষের একটি স্বাভাবিক আবেগ হলেও এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ ও দার্শনিক মতবাদে সতর্ক করা হয়েছে। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে: *"Anger is a short madness"* যার অর্থ ক্রোধ ক্ষণস্থায়ী হলেও তা মানুষকে অন্ধ করে দেয়। এই প্রশ্নটির মাধ্যমে ক্রোধের একটি ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়েছে।
**"Anger, even when it is sinful, has one virtue, it overcomes ____."** সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— ক্রোধকে প্রায়শই ধর্মীয় ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি "পাপ" হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, খ্রিস্টধর্মে ক্রোধকে সাতটি মহাপাপের একটি হিসেবে গণ্য করা হয় (Wrath)।
— ক্রোধের একটি উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব হলো এটি মানুষকে অলসতা (sloth) থেকে মুক্তি দেয়। অলসতা হলো এমন একটি মানসিক অবস্থা যেখানে ব্যক্তি কোনো কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করে। ক্রোধ মানুষকে কর্মে উদ্বুদ্ধ করে, ফলে অলসতা দূর হয়।
— দার্শনিকদের মতে, ক্রোধ মানুষের অভ্যন্তরীণ শক্তিকে জাগ্রত করে। উদাহরণস্বরূপ, অ্যারিস্টটল বলেছেন, *"Anyone can become angry—that is easy. But to be angry with the right person, to the right degree, at the right time, for the right purpose, and in the right way—that is not easy."*
— ধর্মগ্রন্থগুলোতে ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করার উপদেশ দেওয়া হলেও একই সাথে এর ইতিবাচক প্রভাবও স্বীকার করা হয়েছে। যেমন, ইসলামে ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তবে তা যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রকাশিত হয়, তাহলে তা প্রশংসিত।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ খ) inevitable — desire: ক্রোধকে অনিবার্য বলা হলেও এর মাধ্যমে ইচ্ছা বা কামনা দূর হয় না। বরং ক্রোধ প্রায়শই ইচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ।
✗ গ) unnecessary — malice: ক্রোধকে অপ্রয়োজনীয় বলা হলেও এর মাধ্যমে বিদ্বেষ দূর হয় না। বরং ক্রোধ বিদ্বেষকেই আরও বৃদ্ধি করতে পারে।
✗ ঘ) intense — hate: তীব্র ক্রোধ ঘৃণা দূর করে না, বরং ঘৃণাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।
উৎস:
1. Aristotle, *Nicomachean Ethics* (ক্রোধ সম্পর্কিত দার্শনিক ব্যাখ্যা)
2. Bible (খ্রিস্টধর্মে ক্রোধকে মহাপাপ হিসেবে উল্লেখ)
3. Quran (ইসলামে ক্রোধ নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ)
4. *The Psychology of Anger* by Raymond DiGiuseppe (ক্রোধের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব)