ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ৫০
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা বিষয়ক প্রেক্ষাপট:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য বিশেষ সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা রয়েছে। এই ব্যবস্থা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সংবিধান প্রণেতাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মহিলা সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
— সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ছিল ৩০টি।
— ২০০৪ সালে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৪৫টিতে উন্নীত করা হয়।
— পরবর্তীতে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৫০টিতে বৃদ্ধি করা হয়।
— এই ৫০টি আসনে মহিলা সদস্যরা নির্বাচিত হন না, বরং জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে সংসদ সদস্যরা তাদের নির্বাচিত করেন।
— সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যদের মেয়াদ সংসদের মেয়াদের সমান অর্থাৎ ৫ বছর।
— সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যরা জাতীয় সংসদের অন্যান্য সদস্যদের মতোই সমান ক্ষমতা ও অধিকার ভোগ করেন।
— সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো তাদের দলের সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে মহিলা সদস্যদের মনোনয়ন দিয়ে থাকেন।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) ৩০: এটি সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রাথমিক সংখ্যা ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সংশোধনীতে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
✗ গ) ৩৫: এটি কোনো সংশোধনী বা আইনে উল্লেখিত সংখ্যা নয়।
✗ ঘ) ৪০: এটি ২০০৪ সালের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্ধারিত সংখ্যা ছিল, পরবর্তীতে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
উৎস:
— বাংলাদেশের সংবিধান, ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ
— বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়
— সংবিধান সংশোধনী আইন, ২০০৪ (চতুর্দশ সংশোধনী)
— সংবিধান সংশোধনী আইন, ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী)