ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) বিজয়পুরে
বাংলাদেশে খনিজ সম্পদের মধ্যে চীনামাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। দেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেলেও বিজয়পুরেই সর্বপ্রথম এবং বৃহত্তম চীনামাটির খনি আবিষ্কৃত হয়।
**চীনামাটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— চীনামাটি মূলত এক ধরনের মৃন্ময় পদার্থ যা প্রধানত অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট দ্বারা গঠিত। এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম, সাদা বা হালকা রঙের এবং উচ্চ তাপ সহনশীলতা সম্পন্ন।
— চীনামাটি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় প্রধানত সিরামিক, পোর্সেলিন, টাইলস, ইন্সুলেটর ইত্যাদি তৈরিতে।
— বাংলাদেশে চীনামাটির প্রধান উৎস হলো বিজয়পুর চীনামাটি খনি, যা নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত।
— বিজয়পুর খনির চীনামাটির বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চ বিশুদ্ধতা এবং সূক্ষ্ম গঠন, যা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।
— বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, চীন, ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চীনামাটির খনি রয়েছে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) রানীগঞ্জে: রানীগঞ্জ মূলত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি কয়লাখনি অঞ্চল। বাংলাদেশে রানীগঞ্জ নামে কোনো উল্লেখযোগ্য খনিজ সম্পদের উৎস নেই।
✗ গ) টেকেরহাটে: টেকেরহাট বাংলাদেশের একটি স্থানের নাম হলেও এটি চীনামাটির জন্য পরিচিত নয়। এটি মূলত সিলেট অঞ্চলের একটি স্থান।
✗ ঘ) বিয়ানী বাজারে: বিয়ানী বাজার বাংলাদেশের একটি স্থান হলেও এটি চীনামাটির জন্য পরিচিত নয়। এটি মূলত কুমিল্লা অঞ্চলের একটি স্থান।
উৎস:
— বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) প্রকাশিত খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিবেদন।
— বাংলাদেশ সরকারের খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য।
— "খনিজ সম্পদ ও বাংলাদেশ" শীর্ষক বিভিন্ন সরকারি প্রকাশনা।