ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ৮ টি
বাংলাদেশে উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সরকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই জানতে হবে যে, বাংলাদেশ সরকার উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার ও উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গঠন করেছে। উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান বলতে সাধারণত সরকারি অনুমোদিত ও পরিচালিত এমন প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, যেগুলো উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ভাষা, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
বাংলাদেশে উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
— পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ।
— তিন পার্বত্য জেলা (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) এর জেলা পরিষদগুলো।
— উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নামে পরিচিত)।
— পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড।
— পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন।
— উপজাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন আদিবাসী বিদ্যালয় ও কলেজ।
— উপজাতীয় ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়নের জন্য গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহ।
— উপজাতীয় যুব উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান।
এছাড়াও, সরকারি পর্যায়ে আরও কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলো উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত উপজাতীয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ৮টি।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ খ) ৫ টি: এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ সরকারি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি।
✗ গ) ৪ টি: এটি আরও কম সংখ্যা, যা সঠিক তথ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
✗ ঘ) ৩ টি: এটি অত্যন্ত কম সংখ্যা এবং সরকারি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যার সাথে মিলে না।
উৎস:
— বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০।
— পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
— বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন সরকারি গেজেট ও আদেশ।