ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) ১৯৭৪ সালে
বাংলাদেশে আদমশুমারি সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জনসংখ্যা সম্পর্কিত সঠিক তথ্য সংগ্রহের জন্য আদমশুমারি পরিচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি পরিসংখ্যান ও পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়মিত আদমশুমারি পরিচালিত হয়ে থাকে, যার মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার, জনসংখ্যার ঘনত্ব, লিঙ্গ অনুপাত প্রভৃতি নির্ধারণ করা হয়।
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় **১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে**।
— এটি পরিচালনা করে **পরিসংখ্যান ব্যুরো** (বর্তমান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)।
— আদমশুমারির মাধ্যমে বাংলাদেশের জনসংখ্যা **৭ কোটি ৬৪ লাখ** বলে নির্ধারণ করা হয়।
— স্বাধীনতার পর দেশের জনসংখ্যা সম্পর্কিত প্রথম আনুষ্ঠানিক তথ্য সংগ্রহ ছিল এটি।
— আদমশুমারির ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
— আদমশুমারির তথ্য সরকারি নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবহৃত হয়।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) ১৯৭২ সালে: স্বাধীনতার পরপরই আদমশুমারি পরিচালনার জন্য যথেষ্ট সময় ও ব্যবস্থাপনা ছিল না, তাই এটি ভুল।
✗ খ) ১৯৭৩ সালে: আদমশুমারি পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন ছিল, যা ১৯৭৩ সালে সম্ভব হয়নি।
✗ ঘ) ১৯৭৫ সালে: ১৯৭৫ সালে দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়, প্রথমটি নয়।
উৎস:
— বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও প্রকাশনা।
— ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রশ্নব্যাংক, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
— "জনসংখ্যা ও উন্নয়ন" বিষয়ক বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন।