ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ৫,৪০০ কিমি
বাংলাদেশে নদীপথের গুরুত্ব ও নাব্যতা বিষয়ে ভূমিকা:
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত। দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জীবনযাত্রায় নদীপথের গুরুত্ব অপরিসীম। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে সারা বছর নাব্য নদীপথের পরিমাণ প্রায় ৫,৪০০ কিলোমিটার। এই নদীপথগুলো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের নদীপথ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— বাংলাদেশে মোট নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪,১৪০ কিলোমিটার, যার মধ্যে সারা বছর নাব্য নদীপথের পরিমাণ প্রায় ৫,৪০০ কিলোমিটার।
— দেশের প্রধান প্রধান নদী যেমন পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, কর্ণফুলী প্রভৃতি নদীপথ সারা বছর নাব্য থাকে।
— বর্ষাকালে নদীপথের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং শুষ্ক মৌসুমে কিছু অংশে নাব্যতা হ্রাস পায়।
— সরকারি উদ্যোগে নদীপথের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে।
— বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) নদীপথের নাব্যতা বৃদ্ধি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) ২৪,১৪০ কিমি: এটি বাংলাদেশের মোট নদীপথের দৈর্ঘ্য, সারা বছর নাব্য নদীপথের পরিমাণ নয়।
✗ গ) ১১,০০০ কিমি: এটি বাংলাদেশের মোট নৌপথের একটি অনুমানিত পরিসংখ্যান, সারা বছর নাব্য নদীপথের পরিমাণ নয়।
✗ ঘ) ৮,৫০০ কিমি: এটি বাংলাদেশের মোট নৌপথের একটি অনুমানিত পরিসংখ্যান, সারা বছর নাব্য নদীপথের পরিমাণ নয়।
উৎস:
— বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর বার্ষিক প্রতিবেদন।
— বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর তথ্য।
— বাংলাদেশ সরকারের পরিবহন ও অবকাঠামো বিষয়ক সরকারি প্রকাশনা।