ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ৮টি
বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেড (EPZ) সম্পর্কে ভূমিকা:
বাংলাদেশ সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে ইপিজেড (Export Processing Zone) প্রতিষ্ঠা করেছে। এসব অঞ্চলে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর অবকাশ, অবাধ আমদানি-রপ্তানি সুবিধা এবং অন্যান্য প্রণোদনা প্রদান করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা কতটি তা জানা সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
**ইপিজেড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে। এটি ছিল দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড।
— সরকারি ইপিজেডগুলো পরিচালনা করে বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (BEZA) এবং বাংলাদেশExport Processing Zones Authority (BEPZA)।
— বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা **৮টি**। এগুলো হলো:
১. চট্টগ্রাম ইপিজেড (প্রথম প্রতিষ্ঠিত)
২. ঢাকা ইপিজেড (সাভার)
৩. মংলা ইপিজেড
৪. আদমজী ইপিজেড (নারায়ণগঞ্জ)
৫. কুমিল্লা ইপিজেড
৬. ঈশ্বরদী ইপিজেড (পাবনা)
৭. উত্তরা ইপিজেড (নীলফামারী)
৮. কর্ণফুলী ইপিজেড (চট্টগ্রাম)
— এছাড়া বেসরকারি ইপিজেডের সংখ্যা আরও বেশি। সরকারি ইপিজেডগুলো দেশের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
— ইপিজেডগুলোতে তৈরি পোশাক, চামড়া, ওষুধ, ইলেকট্রনিক্সসহ বিভিন্ন ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
— ইপিজেডগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য কর অবকাশ সুবিধা, সহজ আমদানি-রপ্তানি নীতি এবং অবাধ শ্রমবাজার রয়েছে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ৬টি: এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা ৮টি। পূর্বে কিছু ইপিজেড বন্ধ হয়ে গেলেও নতুন ইপিজেড যুক্ত হয়েছে।
✗ গ) ১০টি: এটি ভুল কারণ সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা ৮টি। বেসরকারি ইপিজেড মিলিয়ে মোট ইপিজেডের সংখ্যা বেশি হলেও সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা ৮টি।
✗ ঘ) ১২টি: এটি ভুল কারণ সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা ৮টির বেশি নয়। অনেকেই মোট ইপিজেডের সংখ্যা ভেবে ভুল করতে পারেন।
উৎস:
১. বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনস অথরিটি (BEPZA) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: [www.bepza.gov.bd](http://www.bepza.gov.bd)
২. বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (BEZA) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: [www.beza.gov.bd](http://www.beza.gov.bd)
৩. বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন, ২০২৩।