ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) চার
বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র সম্পর্কিত ভূমিকা:
বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, টেলিভিশন সম্প্রচার, ইন্টারনেট সেবা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত এসব কেন্দ্র দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।
বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— **বাংলাদেশ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা**: বাংলাদেশে মোট চারটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে। এগুলো হলো:
১. তালিবাবাদ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (গাজীপুর)
২. মহাখালী ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (ঢাকা)
৩. সিলেট ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (সিলেট)
৪. বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (রাঙ্গামাটি)
— **তালিবাবাদ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র**: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং প্রধান ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। এই কেন্দ্রটি দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে।
— **মহাখালী ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র**: এটি ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত। এটি মূলত টেলিভিশন সম্প্রচার এবং ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
— **সিলেট ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র**: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত। এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
— **বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র**: এটি রাঙ্গামাটি জেলার বেতবুনিয়া নামক স্থানে অবস্থিত। এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে অবদান রাখে।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ **ক) এক**: বাংলাদেশে একাধিক ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে, তাই এই উত্তরটি ভুল।
✗ **খ) দুই**: বাংলাদেশে চারটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে, তাই দুইটি উত্তরটি ভুল।
✗ **গ) তিন**: বাংলাদেশে চারটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে, তাই তিনটি উত্তরটি ভুল।
উৎস:
— বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
— বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের তথ্য।
— বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন ও প্রকাশনা।