ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) ১০ : ৬
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত সম্পর্কিত পরীক্ষা-প্রাসঙ্গিক ভূমিকা:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতীক। সরকারি পরীক্ষাগুলোতে জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য (যেমন: মাপ, রং, ইতিহাস) প্রায়ই আসে। তাই জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা প্রয়োজন।
**বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত হল **১০ : ৬**। অর্থাৎ, পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬।
— পতাকার রং দুইটি: সবুজ ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর লাল বৃত্ত। সবুজ অংশটি পতাকার পুরোটা জুড়ে থাকে, আর লাল বৃত্তটি কেন্দ্রে অবস্থিত।
— জাতীয় পতাকার নকশা প্রণয়ন করেন **শিব নারায়ণ দাস**। তিনি একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী ছিলেন।
— বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় **১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ**। তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রলীগ নেতারা পতাকা উত্তোলন করেন।
— বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় **১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি**। বাংলাদেশ সরকার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় পতাকার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়।
— জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হল পতাকার দৈর্ঘ্যের **১/৫ অংশ**। অর্থাৎ, পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ একক হলে লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে ২ একক।
— জাতীয় পতাকার সবুজ অংশটি প্রকৃতির প্রতীক, আর লাল বৃত্তটি স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের রক্তের প্রতীক।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ৯ : ৫: এই অনুপাতটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার জন্য সঠিক নয়। এটি অন্যান্য দেশের পতাকার অনুপাত হতে পারে, যেমন ভারতের জাতীয় পতাকার অনুপাত।
✗ খ) ১১ : ৭: এই অনুপাতটিও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার জন্য প্রযোজ্য নয়। এটি অন্যান্য দেশের জাতীয় পতাকার অনুপাত হতে পারে।
✗ ঘ) ৮ : ৬: এই অনুপাতটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার জন্য সঠিক নয়। এটি একটি ভুল অনুপাত।
উৎস:
— বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর অধীনে প্রকাশিত সরকারি নথি।
— বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
— "জাতীয় পতাকা ও প্রতীক" বিষয়ক সরকারি প্রকাশনা।