ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) বাংলার প্রকৃতির কথা
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনার প্রেক্ষাপট:
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত "আমার সোনার বাংলা" গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে রচনা করেন। এটি মূলত বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে লেখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই গানটি জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়। গানটির মাধ্যমে বাংলার প্রকৃতির অপরূপ বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে, যা দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।
"আমার সোনার বাংলা" সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— গানটির রচয়িতা হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
— এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯০৫ সালে "বাউল" নামক পত্রিকায়।
— গানটি মূলত বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে লেখা হয়েছিল।
— ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই গানটি জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
— গানটির প্রথম দশটি চরণ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
— গানটির সুরটি মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই করেছিলেন।
— গানটির মাধ্যমে বাংলার প্রকৃতির অপরূপ বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে, যেমন: "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি", "চোখে দেখি না তোমারে, ওগো মা, তোমারে দেখি না চোখে" ইত্যাদি।
— গানটির মাধ্যমে দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগিয়ে তোলা হয়।
— গানটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ খ) বাংলার মানুষের কথা: জাতীয় সঙ্গীতের মূল বিষয় প্রকৃতি হলেও মানুষের কথাও পরোক্ষভাবে উঠে এসেছে, তবে এটি প্রধান বিষয় নয়।
✗ গ) বাংলার ইতিহাসের কথা: জাতীয় সঙ্গীতের মূল বিষয় প্রকৃতি হলেও ইতিহাসের কথা সরাসরি উল্লেখ নেই।
✗ ঘ) বাংলার সাংস্কৃতির কথা: জাতীয় সঙ্গীতের মূল বিষয় প্রকৃতি হলেও সংস্কৃতির কথা সরাসরি উল্লেখ নেই।
উৎস:
— বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত "জাতীয় সঙ্গীত" বিষয়ক প্রকাশনা।
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত "গীতবিতান" গ্রন্থ।
— বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর প্রকাশিত "জাতীয় সঙ্গীত" বিষয়ক নির্দেশিকা।