ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) ২৩ সেন্টিমিটার
বাংলাদেশের মৎস্য আইন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা সম্পর্কিত পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। দেশের জলাভূমি, নদী-নালা ও মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার বিভিন্ন আইন ও বিধি প্রণয়ন করেছে।
**বাংলাদেশের মৎস্য আইন ও রুই জাতীয় মাছের পোনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশের মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ এবং পরবর্তীকালে প্রণীত বিধিমালা অনুসারে রুই জাতীয় মাছের পোনা ধরা ও বিক্রির উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
— রুই জাতীয় মাছের মধ্যে রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস প্রভৃতি। এসব মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বৃদ্ধির জন্য পোনা সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
— সরকারি বিধিমালা অনুসারে, **২৩ সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের রুই জাতীয় মাছের পোনা ধরা, বিক্রি বা বাজারজাত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ**। এর উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক প্রজনন চক্র অব্যাহত রাখা এবং মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।
— এই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যার মধ্যে জরিমানা ও মাছ জব্দ অন্তর্ভুক্ত।
— বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) এবং মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালায়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ১৮ সেন্টিমিটার: এই দৈর্ঘ্য বিধিমালায় উল্লেখিত সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্যের চেয়ে কম। প্রকৃত বিধিতে ২৩ সেন্টিমিটার উল্লেখ থাকায় এটি ভুল।
✗ খ) ২০ সেন্টিমিটার: এটি বিধিমালায় উল্লেখিত দৈর্ঘ্যের কাছাকাছি হলেও প্রকৃত বিধিতে ২৩ সেন্টিমিটার উল্লেখ থাকায় এটি ভুল।
✗ ঘ) ২৫ সেন্টিমিটার: এই দৈর্ঘ্য বিধিমালায় উল্লেখিত সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি। বিধিমালা অনুসারে ২৩ সেন্টিমিটারের কম হলেই নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়, তাই এটি ভুল।
**উৎস:**
— *মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০* (পরবর্তী সংশোধনীসহ)
— *বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের বিধিমালা ও গাইডলাইন*
— *বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন*