ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) ২০২১-২০৪১
বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কৌশল হিসেবে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (Perspective Plan) প্রণয়ন করা হয়। এটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের রূপরেখা নির্ধারণ করে।
**প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ছিল **২০১০-২০২১ সাল** পর্যন্ত, যা ছিল "ভিশন ২০২১" নামে পরিচিত।
— পরবর্তী প্রেক্ষিত পরিকল্পনা হল **"ভিশন ২০৪১"**, যার সময়সীমা **২০২১ থেকে ২০৪১ সাল** পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
— এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে **উন্নত দেশে পরিণত করা** এবং **জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৯% এর বেশি অর্জন করা**।
— প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে **মানবসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা**।
— এটি বাংলাদেশের **ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫)** এবং পরবর্তী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোর ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
— প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে **পরিকল্পনা কমিশন** এবং **বাংলাদেশ সরকার**।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ২০২১-২০৩০: এটি বাংলাদেশের **৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়সীমা** নয়, বরং প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়সীমা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় এটি ভুল।
✗ খ) ২০২৪-২০৩২: এটি কোনো সরকারি পরিকল্পনার সময়সীমা নয়, বরং একটি ভুল তথ্য।
✗ ঘ) ২০২২-২০৫০: এটি বাংলাদেশের কোনো সরকারি পরিকল্পনার সময়সীমা নয়, বরং একটি ভুল তথ্য।
**উৎস:**
— বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, "প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১"
— বাংলাদেশ সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দলিল
— Economic Relations Division (ERD), Government of Bangladesh