বাংলাদেশের উপকূলীয় সমভূমিতে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী যে ধরণের বন্যা কবলিত হয় তার নাম-
কনদীজ বন্যা
খআকস্মিক বন্যা
গবৃষ্টিজনিত বন্যা
ঘজলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা✓
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যাকে মূলত তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:
ক)
মৌসুমি বন্যা (monsoon flood)
– এই বন্যা ঋতুগত, নদনদীর পানি ধীরে ধীরে উঠানামা করে এবং বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে;
খ) আকস্মিক বন্যা (flash flood)
– আকস্মিক পাহাড়ি ঢল অথবা স্বল্প সময়ে সংঘটিত প্রবল বৃষ্টিপাত থেকে কিংবা প্রাকৃতিক অথবা মানবসৃষ্ট বাঁধ ভেঙে সংঘটিত হয়; এবং
গ) জোয়ারসৃষ্ট বন্যা (tidal flood):
সংক্ষিপ্ত স্থিতিকাল বিশিষ্ট এই বন্যার উচ্চতা সাধারণত ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং ভূ-ভাগের নিষ্কাশন প্রণালীকে আবদ্ধ করে ফেলে।
এছাড়াও উপকূলীয় অঞ্চলে আরেক ধরণের বন্যা দেখা যায়, যার নাম –
জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা
।
ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছাস জনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সমুদ্রের পানি উপকূলীয় অঞ্চল সমূহকে প্লাবিত করে এই ধরনের বন্যার সৃষ্টি করে।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বই।