ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ৬
**ভূমিকা:**
বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা হিসেবে "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এই পরিকল্পনায় দেশের বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যেগুলোকে "ভৌগোলিক হটস্পট" হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই হটস্পটগুলো দেশের অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও সামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত।
**ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের অধীনে ২০১৮ সালে প্রকাশিত হয়।
— এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (২১০০ সাল পর্যন্ত), যার লক্ষ্য দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
— পরিকল্পনায় দেশকে ৬টি প্রধান ভৌগোলিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে, যেগুলোকে "ভৌগোলিক হটস্পট" বলা হয়।
— এই হটস্পটগুলো হলো:
১. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা প্লাবনভূমি
২. উপকূলীয় অঞ্চল
৩. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল
৪. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
৫. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
৬. দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
— প্রতিটি হটস্পটের জন্য আলাদা উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।
— পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ৭: পরিকল্পনায় মোট ৬টি হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে, ৭টি নয়।
✗ গ) ৮: পরিকল্পনায় ৮টি হটস্পটের উল্লেখ নেই।
✗ ঘ) ৯: পরিকল্পনায় ৯টি হটস্পটের উল্লেখ নেই।
**উৎস:**
— বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" (২০১৮)
— বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা দলিল
— বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিবেদন