ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ছায়াবৃত্ত
**ভূমিকা:**
ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত অংশ (দিন) এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশ (রাত) এর মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত অঞ্চলকে বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছে। এই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
**ছায়াবৃত্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ছায়াবৃত্ত হলো পৃথিবীর সেই অংশ যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না অর্থাৎ রাতের অঞ্চল এবং যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় অর্থাৎ দিনের অঞ্চলের মধ্যে সীমানা।
— এটি একটি গোলাকার অঞ্চল নয়, বরং একটি বৃত্তাকার অঞ্চল যা পৃথিবীর আবর্তনের কারণে ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করে।
— ছায়াবৃত্তের অবস্থান সূর্যের অবস্থানের উপর নির্ভর করে। যখন সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়, তখন ছায়াবৃত্ত পশ্চিম দিকে অবস্থিত থাকে এবং বিপরীতক্রমেও ঘটে।
— ছায়াবৃত্তের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন ঘটে। নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অঞ্চলে দিন ও রাত প্রায় সমান থাকে, কিন্তু মেরু অঞ্চলের দিকে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য বৃদ্ধি পায়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) গুরুবৃত্ত: গুরুবৃত্ত হলো মহাকাশে অবস্থিত একটি কাল্পনিক বৃত্ত যা পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে যায় এবং মহাকাশের কোনো বস্তুর অবস্থান নির্দেশ করে। এটি ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলের সাথে সম্পর্কিত নয়।
✗ গ) ঊষা: ঊষা হলো ভোরবেলার সময়কাল যখন সূর্য উদিত হওয়ার প্রাক্কালে আকাশে আলোর উপস্থিতি দেখা যায়। এটি সময়ের একটি অংশ, স্থান নয়।
✗ ঘ) গোধূলি: গোধূলি হলো সূর্যাস্তের পর বা সূর্যোদয়ের আগে আকাশে আলোর উপস্থিতির সময়কাল। এটি সময়ের একটি অংশ, স্থান নয়।
**উৎস:**
— ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক (৯ম-১০ম শ্রেণি)
— সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক
— জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) কর্তৃক প্রকাশিত ভূগোল বিষয়ক বই