সঠিক উত্তর: (ঘ) ৩১ মে
**তামাকমুক্ত দিবস সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কর্তৃক নির্ধারিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস হলো **বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস**, যা প্রতি বছর পালিত হয়। এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমিয়ে আনা।
---
**বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **প্রথম পালন**: বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস প্রথম পালিত হয় **১৯৮৮ সালে**। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
— **তারিখ নির্ধারণ**: প্রতি বছর **৩১ মে** তারিখে এই দিবসটি পালিত হয়। এই তারিখটি নির্ধারণ করা হয়েছে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য।
— **উদ্দেশ্য**: এই দিবসের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
— তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করা।
— তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানোর জন্য সরকার ও সংস্থাগুলোকে উদ্বুদ্ধ করা।
— তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা বাস্তবায়নে সহায়তা করা।
— **বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর ভূমিকা**: WHO এই দিবসটির আয়োজন ও প্রচারণা পরিচালনা করে। সংস্থাটি বিভিন্ন দেশকে তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা বাস্তবায়নে সহায়তা করে।
— **বাংলাদেশে পালন**: বাংলাদেশেও প্রতি বছর **৩১ মে** তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিভিন্ন এনজিও ও সরকারি সংস্থা এই দিবসটি উদযাপন করে থাকে।
---
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ **ক) ৩১ জানুয়ারি**: এই তারিখটি বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস নয়। এটি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিবস যেমন বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত দিবস হতে পারে।
✗ **খ) ৩১ মার্চ**: এই তারিখটি বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস নয়। এটি অন্যান্য দিবস যেমন বিশ্ব ব্যাকআপ দিবস বা অন্যান্য ইভেন্টের তারিখ হতে পারে।
✗ **গ) ৩০ এপ্রিল**: এই তারিখটি বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস নয়। এটি অন্যান্য দিবস যেমন আন্তর্জাতিক জ্যাজ দিবস বা অন্যান্য ইভেন্টের তারিখ হতে পারে।
---
**উৎস:**
— World Health Organization (WHO) – World No Tobacco Day
— স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ – তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি
— জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (NTCP), বাংলাদেশ