সঠিক উত্তর: (খ) ৪.৮ কিমি
বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প। এটি দেশের উত্তরাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করেছে। বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।
**বঙ্গবন্ধু সেতু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **অবস্থান**: সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলা ও টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার মধ্যে অবস্থিত।
— **দৈর্ঘ্য**: ৪.৮ কিলোমিটার (৪,৮০০ মিটার)।
— **প্রস্থ**: ১৮.৫ মিটার (৬টি লেন বিশিষ্ট সড়কপথ)।
— **নির্মাণকাল**: ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন উদ্বোধন করা হয়।
— **উদ্বোধন**: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
— **নির্মাণ ব্যয়**: প্রায় ৩,৭০০ কোটি টাকা।
— **সেতুর ধরন**: স্টিল ট্রাস ব্রিজ (স্টিল নির্মিত ট্রাস কাঠামো বিশিষ্ট সেতু)।
— **গুরুত্ব**: উত্তরবঙ্গের সাথে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার কমিয়ে দেয়। এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
— **টোল ব্যবস্থা**: যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল আদায় করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ছোট গাড়ির জন্য টোল প্রায় ২০০ টাকা।
— **পরিচালনা প্রতিষ্ঠান**: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (ব্রিজ অথরিটি)।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ৪.৫ কিমি: এটি সঠিক দৈর্ঘ্যের কাছাকাছি হলেও প্রকৃত দৈর্ঘ্য নয়। অনেকেই এই তথ্য ভুলভাবে উল্লেখ করে থাকেন।
✗ গ) ৫.২ কিমি: এটি সঠিক দৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রকৃত তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
✗ ঘ) ৬.২ কিমি: এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.২ কিলোমিটার নয়।
**উৎস:**
— বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বাংলাদেশ ব্রিজ অথরিটি) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
— "বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন" শীর্ষক সরকারি প্রকাশনা।
— বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদন।