ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
<বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার প্রাথমিক ধারণা>
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কারণে সৃষ্ট বন্যার প্রভাব কমানো এবং জনজীবন ও অবকাঠামোকে সুরক্ষিত রাখা হয়। এই ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যার মধ্যে সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো নদী শাসন, বনাঞ্চল সৃষ্টি, পূর্বাভাস ব্যবস্থা ইত্যাদি।
**বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা**: নদীর তীরকে শক্তিশালী করা, বাঁধ নির্মাণ, নদীর গতিপথ নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদির মাধ্যমে নদীর ক্ষয়ক্ষতি কমানো হয়। এটি বন্যা নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
— **নদীর দুই তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি করা**: বনাঞ্চল সৃষ্টির মাধ্যমে মাটির ক্ষয় রোধ করা হয় এবং নদীর পানি শোষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ফলে বন্যার তীব্রতা কমে।
— **বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা**: আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বন্যার পূর্বাভাস দেওয়া এবং জনগণকে সতর্ক করা হয়, যাতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা: এটি বন্যা নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাপনার অংশ, কারণ এটি নদীর ক্ষয়ক্ষতি কমায় এবং পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
✗ গ) নদীর দুই তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি করা: এটি মাটির ক্ষয় রোধ করে এবং পানি শোষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফলে বন্যার প্রভাব কমে।
✗ ঘ) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা: এটি জনগণকে সময়মতো সতর্ক করে এবং ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।
উৎস:
— "বন্যা ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ প্রশমন" – ড. মোঃ আব্দুল মতিন, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
— "বাংলাদেশের ভূগোল" – ড. হারুন অর রশিদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
— "BCS Preliminary Examination Guide" – এমপি থ্রি প্রকাশনী।