ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) জিবুতি
চীন ও আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলিতে চীনের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে।
**জিবুতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— জিবুটি হল পূর্ব আফ্রিকার একটি ক্ষুদ্র দেশ, যা লোহিত সাগর ও আদেন উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। এর ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি প্রধান পথ।
— ২০১৭ সালে চীন জিবুতিতে তার প্রথম বিদেশি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে। এটি চীনের সামরিক উপস্থিতির প্রথম স্থায়ী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
— এই ঘাঁটিতে প্রায় ৪০০ সেনা সদস্য রয়েছে এবং এটি চীনের সামরিক অভিযান পরিচালনা, মানবিক সহায়তা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
— জিবুতিতে চীনের সামরিক উপস্থিতি আফ্রিকা মহাদেশে চীনের প্রভাব বৃদ্ধি এবং ভারত মহাসাগরে তার সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি অংশ।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ইথিওপিয়া: ইথিওপিয়া আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ দেশ, কিন্তু চীন সেখানে কোনো সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেনি। চীন ইথিওপিয়ায় অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদান করেছে, কিন্তু সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেনি।
✗ খ) জাম্বিয়া: জাম্বিয়া মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ, যেখানে চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে, কিন্তু সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেনি।
✗ গ) লাইবেরিয়া: লাইবেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ, যেখানে চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে, কিন্তু সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেনি।
উৎস:
- "China’s Military Base in Djibouti: Implications for the Region" – Council on Foreign Relations (CFR)
- "China’s First Overseas Military Base: A New Phase in Chinese Military Expansion" – The Diplomat
- "Djibouti: China’s First Overseas Military Base" – BBC News