চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন— (49th Special BCS)
কসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
খহরপ্রসাদ শাস্ত্রী
গরাজেন্দ্রলাল মিত্র
ঘসুকুমার সেন✓
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এর উদ্ধার ও সংরক্ষণে একাধিক বিদ্বানের অবদান রয়েছে।
চর্যাপদের আবিষ্কার ও পুনরুদ্ধারের ইতিহাস:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
— ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার পুস্তকালয় থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন
— ১৯১৬ সালে "হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা" নামে সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন
প্রবোধচন্দ্র বাগচী:
— চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন
ড. সুকুমার সেন:
— প্রবোধচন্দ্রের আবিষ্কৃত তিব্বতি পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে
— মূল চর্যাপদের খণ্ডিত বা লুপ্ত পদগুলো (২৩, ২৪, ২৫, ৪৮ নম্বর পদ) তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন
✗ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়: চর্যার ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেন
✗ রাজেন্দ্রলাল মিত্র: পূর্ববর্তী যুগের বিদ্বান, সরাসরি চর্যা গবেষক নন
Source: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — সুকুমার সেন; চর্যাগীতি পরিচয় — ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।