ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) আও
ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত করে বিভিন্ন ধরনের শব্দ গঠন করা যায়। বিশেষ করে ভাববাচক বিশেষ্য গঠনের জন্য নির্দিষ্ট প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
**ভাববাচক বিশেষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ভাববাচক বিশেষ্য বলতে এমন বিশেষ্যকে বোঝায় যা কোনো ক্রিয়া বা অবস্থার ভাব বা ধারণাকে প্রকাশ করে।
— বাংলা ভাষায় ভাববাচক বিশেষ্য গঠনের জন্য সাধারণত ধাতুর সাথে **"আও"** প্রত্যয় যুক্ত করা হয়।
— উদাহরণ:
— চল্ (ধাতু) + আও = চলা (ভাববাচক বিশেষ্য)
— খা (ধাতু) + আও = খাওয়া (ভাববাচক বিশেষ্য)
— দেখা (ধাতু) + আও = দেখা (ভাববাচক বিশেষ্য)
— "আও" প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দগুলো প্রায়শই কর্ম বা ক্রিয়ার ভাবকে নির্দেশ করে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ (ক) আন: "আন" প্রত্যয় সাধারণত কর্মবাচক বিশেষ্য বা গুণবাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয়, যেমন: "পড়ান" (পড়্ + আন), "খাওয়ান" (খা + আন)। এটি ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয় না।
✗ (খ) ই: "ই" প্রত্যয় সাধারণত বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, যেমন: "ঘুম" + ই = ঘুমি (ঘুমন্ত ব্যক্তি)। এটি ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয় না।
✗ (গ) আল: "আল" প্রত্যয় সাধারণত কর্মবাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয়, যেমন: "কাটাল" (কাট্ + আল)। এটি ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয় না।
উৎস:
— বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান
— বাংলা ব্যাকরণ ও রচনা, ড. মুহম্মদ আবদুল হাই
— মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড