“ডিঙি টেনে বের করতে হবে”। – কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
ককর্মবাচ্য
খভাববাচ্য✓
গযৌগিক
ঘকর্মকর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা
ভাববাচ্যঃ
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যের ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
ভাববাচ্যের বৈশিষ্ঠ্যঃ
– ভাববাচ্যে ক্রিয়া সর্বদা নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয় বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন – আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)
– কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন – এ পথে চলা যায় না; এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
তেমনিভাবে,
ডিঙি টেনে বের করতে হবে।
– মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন – এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।