ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) হাড়িয়াভাঙ্গা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধিতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত।
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ, যার আয়তন প্রায় ২.৫ বর্গকিলোমিটার।
— এটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্গত।
— দ্বীপটি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত, যা সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
— দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি মূলত একটি বালুচর, যা জোয়ার-ভাটার কারণে প্রায়শই ডুবে যায়।
— ১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের পর দ্বীপটি আরও স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
— বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই দ্বীপটির উপর নিজেদের অধিকার দাবি করে আসছে।
— ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের সময় উভয় দেশ দ্বীপটির বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আলোচনা শুরু করে।
— দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি আন্তর্জাতিক আইনে "অধিকারহীন ভূমি" হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, কারণ এটি স্থায়ীভাবে মানুষের বসবাসের উপযোগী নয়।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) নাফ: নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সীমান্ত নির্ধারণকারী নদী, দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
✗ খ) তেতুলিয়া: তেতুলিয়া নদী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি নদী, দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
✗ গ) আড়িয়াল খাঁ: আড়িয়াল খাঁ নদী বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদী, দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
উৎস:
— বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত মানচিত্র ও তথ্য।
— "সুন্দরবন: ভূগোল ও পরিবেশ" — ড. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
— "বাংলাদেশের নদ-নদী" — ড. হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BIDS)।