ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের অন্যতম প্রভাব কি? (50th BCS)
কবিদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান
খতারল্য সংকট কাটিয়ে উঠা
গখেলাপী ঋণের পরিমান কমিয়ে আনা
ঘরপ্তানী বাড়ানো✓
ব্যাখ্যা
মুদ্রার অবমূল্যায়ন (Currency Depreciation) হলো যখন কোনো দেশের মুদ্রার মান বৈদেশিক মুদ্রার তুলনায় কমে যায়।
টাকার অবমূল্যায়নে রপ্তানি বৃদ্ধির কারণ:
যখন টাকার মান ডলারের তুলনায় কমে, তখন বাংলাদেশের পণ্য বিদেশি ক্রেতাদের কাছে তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে যায়। ফলে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্যসহ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা বাড়ে।
অন্যান্য প্রভাব:
— আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায় (আমদানি পণ্য মহার্ঘ হয়)
— রেমিট্যান্সের টাকার মান দেশে বাড়ে
— মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে
— বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়ে
✗ বিদেশে বিনিয়োগ: টাকার অবমূল্যায়নে বিদেশে বিনিয়োগ কঠিন হয়
✗ তারল্য সংকট: মুদ্রার মান পরিবর্তন সরাসরি তারল্য নির্ধারণ করে না
✗ খেলাপী ঋণ: অবমূল্যায়নের সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই
Source: বাংলাদেশ ব্যাংক বার্ষিক প্রতিবেদন; IMF Exchange Rate Theory; অর্থনীতি (পল স্যামুয়েলসন)।