ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) উপরের সবকটি
<একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা সম্পর্কে>
ডিভাইস শেয়ারিং বা ভাগাভাগি করে নেয়া হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একাধিক ব্যবহারকারী একটি একক ডিভাইস বা রিসোর্স ব্যবহার করে। এটি সাধারণত অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে।
**ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **অর্থ সাশ্রয়**: প্রতিষ্ঠানগুলোকে একাধিক ডিভাইস ক্রয় করতে হয় না, ফলে প্রাথমিক খরচ কমে যায়। এছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ ও আপগ্রেড খরচও কম হয়।
— **সময় সাশ্রয়**: একাধিক ব্যবহারকারী একই ডিভাইস ব্যবহার করতে পারায় সময়ের অপচয় কম হয়। বিশেষ করে প্রিন্টার, স্ক্যানার বা অন্যান্য অফিস সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
— **স্থানের সাশ্রয়**: একাধিক ডিভাইস রাখার জন্য প্রয়োজনীয় স্থান কমে যায়। ফলে অফিস বা প্রতিষ্ঠানের স্থান ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।
— **পরিবেশবান্ধব**: কম ডিভাইস ব্যবহারের ফলে ইলেকট্রনিক বর্জ্য কম হয়, যা পরিবেশের জন্য উপকারী।
— **রক্ষণাবেক্ষণ সহজ**: কম সংখ্যক ডিভাইস থাকায় রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজও সহজ হয়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) অর্থ সাশ্রয়: এটি ডিভাইস ভাগাভাগির একটি সুবিধা হলেও একমাত্র সুবিধা নয়।
✗ খ) সময় সাশ্রয়: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলেও একমাত্র সুবিধা নয়।
✗ গ) স্থানের সাশ্রয়: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলেও একমাত্র সুবিধা নয়।
**উৎস:**
— "Computer Networking: A Top-Down Approach" by James F. Kurose and Keith W. Ross
— "Office Management and Secretarial Practice" by S. C. Saksena
— বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক (BCS, Bank, Primary)