সঠিক উত্তর: (ক) ২০১৩ সালে
**e-TIN সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বাংলাদেশে আয়কর ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) করদাতাদের জন্য ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (e-TIN) ব্যবস্থা চালু করে। এটি করদাতাদের জন্য অনলাইনে ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর প্রাপ্তির সুবিধা প্রদান করে।
**e-TIN সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **প্রবর্তনের সাল**: ২০১৩ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক e-TIN ব্যবস্থা চালু করা হয়।
— **উদ্দেশ্য**: করদাতাদের জন্য ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (TIN) প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে সহজ ও দ্রুততর করা।
— **সুবিধা**:
— অনলাইনে আবেদন করা যায়।
— ঘরে বসে TIN নম্বর পাওয়া যায়।
— কাগজপত্রের ঝামেলা কমে।
— **প্রয়োজনীয় তথ্য**:
— জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর।
— মোবাইল নম্বর।
— ইমেইল ঠিকানা।
— অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ২০১৪ সালে: e-TIN ব্যবস্থা ২০১৩ সালে চালু হলেও অনেকেই ভুল করে ২০১৪ সাল উল্লেখ করেন। প্রকৃতপক্ষে এটি ২০১৩ সালেই চালু হয়।
✗ গ) ২০১৫ সালে: ২০১৫ সালে e-TIN ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন ঘটানো হলেও এটি মূলত ২০১৩ সালেই চালু হয়েছিল।
✗ ঘ) ২০১৬ সালে: ২০১৬ সালে e-TIN ব্যবস্থার আরও ব্যাপক প্রচারণা ও ব্যবহার শুরু হলেও প্রবর্তনের বছর ছিল ২০১৩।
**উৎস:**
— জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: [www.nbr.gov.bd](http://www.nbr.gov.bd)
— আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ (সংশোধিত)
— বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও প্রস্তুতিমূলক বই