ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ৩
**ওআইসি সম্পর্কিত ভূমিকা:**
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Cooperation - OIC) হলো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য মুসলিম বিশ্বের অভিন্ন স্বার্থ রক্ষা করা। সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ৫৭টি দেশ। ওআইসির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন ভাষা ব্যবহৃত হয়, যা সংস্থার দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃত।
---
**ওআইসির দাপ্তরিক ভাষা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ওআইসির দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে **আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ** — এই তিনটি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই তিনটি ভাষাই সংস্থার সকল আনুষ্ঠানিক দলিল, চুক্তি, ঘোষণা এবং যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
— আরবি ভাষা মুসলিম বিশ্বের প্রধান ভাষা হওয়ায় এটি ওআইসির প্রধান দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বিবেচিত হয়।
— ইংরেজি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ভাষা হওয়ায় ওআইসির দ্বিতীয় দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
— ফ্রেঞ্চ মূলত আফ্রিকার মুসলিম দেশগুলোর প্রভাবশালী ভাষা হওয়ায় তৃতীয় দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
— ওআইসির সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ভাষা প্রচলিত থাকলেও সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শুধুমাত্র এই তিনটি ভাষাই ব্যবহৃত হয়।
---
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ৫: ওআইসির দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ — মোট তিনটি ভাষা স্বীকৃত। পাঁচটি ভাষার কোনো উল্লেখ নেই।
✗ গ) ৪: ওআইসির দাপ্তরিক ভাষা চারটি নয়, বরং তিনটি। অতিরিক্ত কোনো ভাষা স্বীকৃত নয়।
✗ ঘ) ২: ওআইসির দাপ্তরিক ভাষা দুইটি নয়, বরং তিনটি। আরবি ও ইংরেজি ছাড়াও ফ্রেঞ্চ একটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক ভাষা।
---
**উৎস:**
- Organization of Islamic Cooperation (OIC) Official Website: [www.oic-oci.org](https://www.oic-oci.org)
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) সম্পর্কিত বিভিন্ন সরকারি প্রকাশনা ও পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক।