ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) নদী
জাতিবাচক বিশেষ্য সম্পর্কে পরীক্ষা-প্রাসঙ্গিক ভূমিকা:
জাতিবাচক বিশেষ্য হলো এমন বিশেষ্য পদ যা কোনো শ্রেণি বা জাতির নাম নির্দেশ করে। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বিশেষ্য পদ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেখানে জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ খুঁজতে বলা হয়। এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর নির্ভুলভাবে দিতে হলে জাতিবাচক বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
**জাতিবাচক বিশেষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— জাতিবাচক বিশেষ্য হলো এমন শব্দ যা কোনো শ্রেণি, জাতি বা গোষ্ঠীর নাম নির্দেশ করে। যেমন: জাতি, ধর্ম, সম্প্রদায়, ভাষা ইত্যাদি।
— জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ: মুসলমান, হিন্দু, বাঙালি, ইংরেজ, আরব, চীন ইত্যাদি।
— জাতিবাচক বিশেষ্য সর্বদা বহুবচন অর্থ প্রকাশ করে, অর্থাৎ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তু নয়, বরং একটি শ্রেণিকে নির্দেশ করে।
— জাতিবাচক বিশেষ্যের বিপরীতে ব্যক্তিবাচক বিশেষ্য থাকে, যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। যেমন: মানুষ, গরু, পাখি ইত্যাদি।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) সমাজ: সমাজ একটি সমষ্টিগত ধারণা প্রকাশ করে, কিন্তু এটি জাতিবাচক বিশেষ্য নয়। এটি একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে নির্দেশ করে, জাতিবাচক বিশেষ্যের মতো শ্রেণি নির্দেশ করে না।
✗ খ) পানি: পানি একটি পদার্থবাচক বিশেষ্য, যা একটি নির্দিষ্ট পদার্থকে নির্দেশ করে। এটি জাতিবাচক বিশেষ্য নয়।
✗ গ) মিছিল: মিছিল একটি সমষ্টিগত ক্রিয়া বা ঘটনাকে নির্দেশ করে, কিন্তু এটি জাতিবাচক বিশেষ্য নয়। এটি একটি ঘটনা বা কার্যক্রমকে নির্দেশ করে, শ্রেণিকে নয়।
উৎস:
— বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান (জাতিবাচক বিশেষ্য সম্পর্কিত সংজ্ঞা)
— মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বাংলা ব্যাকরণ বই (জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ)
— বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক (বিশেষ্য পদ সম্পর্কিত প্রশ্ন)