সঠিক উত্তর: (খ) ৪৬ মি
জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি দেশের রাজধানী ঢাকার সাভারে অবস্থিত। জাতীয় স্মৃতিসৌধ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে এখানে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি মঈনুল হোসেন। তিনি বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান স্থপতি ছিলেন।
— স্মৃতিসৌধটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালে এবং শেষ হয় ১৯৮৮ সালে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
— স্মৃতিসৌধটির উচ্চতা ৪৬ মিটার (১৫১ ফুট)। এটি সাতটি ত্রিভুজাকার স্তম্ভের সমন্বয়ে গঠিত, যার প্রতিটি স্তম্ভ স্বাধীনতা যুদ্ধের সাতটি ধাপকে নির্দেশ করে।
— স্মৃতিসৌধটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
— স্মৃতিসৌধটির নকশায় রয়েছে স্বাধীনতা যুদ্ধের বিভিন্ন প্রতীকী উপাদান। স্তম্ভগুলোর মধ্যে রয়েছে শহীদদের স্মৃতি ও দেশের জন্য তাদের ত্যাগের প্রতীক।
— জাতীয় স্মৃতিসৌধের চারপাশে রয়েছে সুবিশাল সবুজ চত্বর এবং একটি অগ্নিকুণ্ড, যেখানে স্বাধীনতা দিবসে আগুন প্রজ্জ্বলিত করা হয়।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) ৪৬.৫ মি: জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রকৃত উচ্চতা ৪৬ মিটার। ৪৬.৫ মিটার উচ্চতার তথ্যটি ভুল।
✗ গ) ৪৫.৫ মি: জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ৪৫.৫ মিটার নয়। এটি একটি ভুল তথ্য।
✗ ঘ) ৪৫ মি: জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ৪৫ মিটার নয়। এটি প্রকৃত উচ্চতার তুলনায় কম উল্লেখ করা হয়েছে।
উৎস:
— বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য।
— জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ প্রকল্পের অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন।
— বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ বিষয়ক বিভিন্ন ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও প্রকাশনা।