ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) স্পিকারের ভোট
জাতীয় সংসদে ভোটাভুটিতে সমতা দেখা দিলে সভাপতির বিশেষ ক্ষমতাবলে প্রদত্ত ভোটকে 'কাস্টিং ভোট' বলা হয়।
**কাস্টিং ভোট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— কাস্টিং ভোট হলো এমন একটি ভোট যা সংসদের অধিবেশনে ভোটাভুটিতে সমতা দেখা দিলে স্পিকার প্রদান করেন।
— এটি সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয় যখন 'হ্যাঁ' ও 'না' ভোট সমান সংখ্যক হয়।
— স্পিকার তার নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে নয়, বরং সংসদের নিয়ম অনুসারে এই ভোট প্রদান করেন।
— বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নিয়মানুসারে স্পিকারকে এই বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
— অন্যান্য দেশেও (যেমন যুক্তরাজ্য, ভারত) স্পিকার কাস্টিং ভোট প্রদান করতে পারেন।
— কাস্টিং ভোট প্রদানের মাধ্যমে সংসদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয়।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) সংসদ নেতার ভোট: সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধী দলের নেতা হতে পারেন, কিন্তু তাদের ভোট সাধারণ সদস্যের মতোই গণনা করা হয়, কাস্টিং ভোট নয়।
✗ খ) হুইপের ভোট: হুইপ দলীয় সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেন, কিন্তু তাদের ভোট সাধারণ সদস্যের মতোই গণনা করা হয়, কাস্টিং ভোট নয়।
✗ ঘ) রাষ্ট্রপতির ভোট: রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য নন, তাই তার ভোট প্রদানের কোনো সুযোগ নেই।
উৎস:
— বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক প্রকাশিত 'জাতীয় সংসদ বিধি-২০১৯'
— 'সংসদীয় প্রক্রিয়া ও কার্যপদ্ধতি' (বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণ অধিদপ্তর)
— 'সংসদীয় গণতন্ত্র: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত' (ড. আবুল কালাম আজাদ)