ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) আইসোটোন
পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত বিভিন্ন পরিভাষা যেমন আইসোটোপ, আইসোটোন, আইসোবার ইত্যাদি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর নির্ভুলভাবে দেওয়ার জন্য পারমাণবিক কণিকা ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
**আইসোটোন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— আইসোটোন হলো এমন নিউক্লিয়াস যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন হয়।
— ভরসংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা। তাই নিউট্রন সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন হলে ভরসংখ্যা ভিন্ন হয়।
— উদাহরণ: কার্বন-১৩ (৬ প্রোটন, ৭ নিউট্রন) এবং নাইট্রোজেন-১৪ (৭ প্রোটন, ৭ নিউট্রন) দুটি আইসোটোন কারণ উভয়ের নিউট্রন সংখ্যা ৭ হলেও ভরসংখ্যা যথাক্রমে ১৩ ও ১৪।
— আইসোটোন সাধারণত বিভিন্ন মৌলের নিউক্লিয়াসের মধ্যে পাওয়া যায় যাদের নিউট্রন সংখ্যা একই থাকে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) আইসোটোপ: যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদের আইসোটোপ বলে। উদাহরণ: কার্বন-১২ ও কার্বন-১৪।
✗ খ) আইসোমার: যেসব নিউক্লিয়াসের নিউক্লিয়ন সংখ্যা সমান কিন্তু শক্তিস্তরের অবস্থা ভিন্ন তাদের আইসোমার বলে। এটি নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরীণ শক্তিস্তরের অবস্থা নির্দেশ করে, নিউট্রন বা প্রোটন সংখ্যা নয়।
✗ ঘ) আইসোবার: যেসব নিউক্লিয়াসের ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদের আইসোবার বলে। উদাহরণ: কার্বন-১৪ (৬ প্রোটন) ও নাইট্রোজেন-১৪ (৭ প্রোটন)।
উৎস:
— পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক বই: "University Physics" by Sears & Zemansky
— রসায়ন বিষয়ক বই: "Chemistry: The Central Science" by Brown et al.
— বিভিন্ন সরকারি চাকরির প্রশ্নব্যাংক (BCS, Bank, Primary)