সঠিক উত্তর: (ক) ২০০০ সালে
**কার্টাগেনা প্রটোকল সম্পর্কিত ভূমিকা:**
কার্টাগেনা প্রটোকল হলো জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবর্তিত জীবসম্পর্কিত জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও নিরাপদ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি। এটি মূলত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি প্রটোকল হিসেবে পরিচিত।
**কার্টাগেনা প্রটোকল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— কার্টাগেনা প্রটোকল হলো **জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল**, যা জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের অধীনে গৃহীত হয়।
— প্রটোকলটি **জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবর্তিত জীবসম্পর্কিত জীববৈচিত্র্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে** প্রণীত হয়।
— প্রটোকলটি **২৯ জানুয়ারি ২০০০ সালে কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে স্বাক্ষরিত হয়** এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
— এটি **২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়**।
— প্রটোকলের মূল উদ্দেশ্য হলো **জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবর্তিত জীবসম্পর্কিত জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি রোধ করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নিরাপত্তা বিধান করা**।
— প্রটোকলটি **জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের (CBD) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ** হিসেবে বিবেচিত হয়।
— প্রটোকলটি **জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি হিসেবে পরিচিত** এবং এটি **জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) কর্তৃক পরিচালিত হয়**।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) ২০০১ সালে: প্রটোকলটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০০ সালে, ২০০১ সালে নয়।
✗ গ) ২০০৩ সালে: প্রটোকলটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০০ সালে, তবে এটি ২০০৩ সালে কার্যকর হয়। তাই এটি বিভ্রান্তিকর।
✗ ঘ) ২০০৫ সালে: প্রটোকলটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০০ সালে, ২০০৫ সালে নয়।
**উৎস:**
1. জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://www.cbd.int/biosafety/)
2. কার্টাগেনা প্রটোকলের অফিসিয়াল টেক্সট (Cartagena Protocol on Biosafety)
3. বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য।