ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) দীনেশরঞ্জন দাশ
‘কল্লোল’ পত্রিকা ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সাহিত্য পত্রিকা। বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকে বাংলা সাহিত্যে যে নতুন ধারার সূচনা হয়েছিল, তার অন্যতম মাধ্যম ছিল এই পত্রিকা। বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতাবাদী ধারার বিকাশে ‘কল্লোল’ পত্রিকার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।
‘কল্লোল’ পত্রিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— ‘কল্লোল’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে।
— এটি ছিল বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান সাহিত্য পত্রিকা, যা বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতাবাদী ধারার সূচনা করে।
— ‘কল্লোল’ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে নতুন কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধের ধারা প্রবর্তিত হয়।
— এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
— ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
— দীনেশরঞ্জন দাশ ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সম্পাদক।
— তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতাবাদী ধারার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত।
— ‘কল্লোল’ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে নতুন কবিতা ও গল্পের ধারা প্রবর্তিত হয়, যা পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান লাভ করে।
— এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, বিশেষ করে ফ্রান্সের প্রতীকীবাদ ও রাশিয়ার বিপ্লবী সাহিত্যের প্রভাব।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) বুদ্ধদেব বসু: তিনি ছিলেন ‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদক, ‘কল্লোল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
✗ গ) সজনীকান্ত দাস: তিনি ছিলেন ‘কালিকলম’ পত্রিকার সম্পাদক, ‘কল্লোল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
✗ ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র: তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সম্পাদক, কিন্তু ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন না।
উৎস:
— বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, সম্পাদক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
— বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, সম্পাদক: ড. আনিসুজ্জামান
— ‘কল্লোল’ পত্রিকার ইতিহাস, সম্পাদক: দীনেশরঞ্জন দাশ