ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯
<বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পর্কিত পরীক্ষা-প্রাসঙ্গিক ভূমিকা>
**আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯** সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— এই আইনটি মূলত বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট গঠনের জন্য প্রণীত হয়, যা পরবর্তীতে **র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)** গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
— আইনটির পূর্ণ নাম **"আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট, ১৯৭৯"**। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই প্রণীত হয়।
— এই আইনের অধীনে **আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)** নামে একটি বিশেষ বাহিনী গঠন করা হয়, যা পরবর্তীতে **র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)** নামে পরিচিতি লাভ করে।
— র্যাব গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল **দ্রুত সাড়া প্রদান, সন্ত্রাস দমন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করা**।
**র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)** সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— র্যাব বাংলাদেশের একটি **আধা-সামরিক বিশেষ বাহিনী**, যা ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
— এটি **পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং আনসার ভিডিপি** থেকে সদস্য নিয়ে গঠিত।
— র্যাবের মূল দায়িত্ব হলো **দ্রুত অপরাধ দমন, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা**।
— র্যাব গঠনের জন্য **আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯**-এর অধীনে বিদ্যমান এপিবিএনকে পুনর্গঠন করা হয়।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ **ক) ডিএমপি অ্যাক্ট ১৯৭৬**: এটি **ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)** গঠনের জন্য প্রণীত আইন। র্যাব গঠনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
✗ **খ) ডিবি পুলিশ অ্যাক্ট ১৯৮৩**: এটি **ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি)** নামে পরিচিত গোয়েন্দা পুলিশ ইউনিট গঠনের জন্য প্রণীত আইন। র্যাব গঠনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
✗ **গ) র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ২০০৩**: প্রকৃতপক্ষে, র্যাব গঠনের জন্য কোনো আলাদা আইন প্রণীত হয়নি। এটি **আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯**-এর অধীনে গঠিত হয়।
উৎস:
— বাংলাদেশ পুলিশ আইন ও বিধিমালা (২০১৮ সংস্করণ)
— আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট, ১৯৭৯ (বাংলাদেশ সরকার প্রণীত)
— র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.rab.gov.bd)