সঠিক উত্তর: (ক) মিয়ানমার
বিষয় সম্পর্কিত ভূমিকা:
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনসভা ব্যবস্থা এককক্ষবিশিষ্ট বা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এককক্ষবিশিষ্ট হলেও অনেক দেশে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদের উদাহরণ হিসেবে মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ উল্লেখযোগ্য।
মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— মিয়ানমারের জাতীয় সংসদকে **পিয়িধা হ্লুতা** (Pyidaungsu Hluttaw) বলা হয়, যা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।
— এটি দুইটি কক্ষ নিয়ে গঠিত: **লোকসভা (House of Representatives)** এবং **জাতীয়তা সভা (House of Nationalities)**।
— লোকসভা সদস্য সংখ্যা **৪৪০** জন, যেখানে ৩৩০ জন নির্বাচিত এবং ১১০ জন সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধি।
— জাতীয়তা সভার সদস্য সংখ্যা **২২৪** জন, যেখানে ১৬৮ জন নির্বাচিত এবং ৫৬ জন সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধি।
— উভয় কক্ষের সদস্যদের মেয়াদ **৫ বছর**।
— মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের উভয় কক্ষের সম্মিলিত অধিবেশনকে **পিয়িধা হ্লুতা** বলা হয়।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ খ) চীন: চীনের জাতীয় গণকংগ্রেস এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
✗ গ) সিঙ্গাপুর: সিঙ্গাপুরের সংসদ এককক্ষবিশিষ্ট।
✗ ঘ) ব্রুনাই: ব্রুনাইয়ের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট (Legislative Council)।
উৎস:
— মিয়ানমারের সংবিধান (২০০৮)
— বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনসভা ব্যবস্থা সম্পর্কিত তথ্য (জাতিসংঘ প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন)
— বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইট ও বিশ্বকোষ