ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) পেট্রোল ইঞ্জিনে
**ইঞ্জিন প্রযুক্তির প্রাথমিক ধারণা:**
আধুনিক যানবাহন ও যন্ত্রপাতিতে ব্যবহৃত ইঞ্জিনগুলো প্রধানত দুই ধরনের জ্বালানির উপর নির্ভর করে: পেট্রোল (গ্যাসোলিন) এবং ডিজেল। এই দুই ধরনের ইঞ্জিনের গঠন ও কার্যপদ্ধতিতে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হল কার্বুরেটরের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি।
---
**পেট্রোল ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— পেট্রোল ইঞ্জিন হলো অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনের একটি প্রকার, যা পেট্রোল বা গ্যাসোলিনকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে।
— এই ইঞ্জিনে **কার্বুরেটর** নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকে, যার কাজ হলো বাতাস ও পেট্রোলের সঠিক অনুপাতের মিশ্রণ তৈরি করা।
— কার্বুরেটর বাতাসকে টেনে নিয়ে আসে এবং এর মধ্য দিয়ে পেট্রোল প্রবাহিত করে একটি মিশ্রণ তৈরি করে, যা ইঞ্জিনের সিলিন্ডারে প্রবেশ করে দহন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে।
— কার্বুরেটর ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন গতিতে ইঞ্জিনকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।
— আধুনিক যুগে কার্বুরেটরের পরিবর্তে **ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম** ব্যবহৃত হয়, যা আরও দক্ষ এবং পরিবেশবান্ধব।
---
**ডিজেল ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ডিজেল ইঞ্জিনও অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনের একটি প্রকার, যা ডিজেল জ্বালানি ব্যবহার করে।
— ডিজেল ইঞ্জিনে **কার্বুরেটর থাকে না**, কারণ ডিজেল ইঞ্জিনে জ্বালানি সরাসরি উচ্চ চাপে সিলিন্ডারে প্রবেশ করানো হয়।
— ডিজেল ইঞ্জিনে **ফুয়েল ইনজেকশন পাম্প** ব্যবহৃত হয়, যা উচ্চ চাপে ডিজেলকে সিলিন্ডারে স্প্রে করে দহন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
— ডিজেল ইঞ্জিন সাধারণত বেশি শক্তিশালী এবং জ্বালানি দক্ষতাসম্পন্ন হয়, তবে এর নির্মাণ ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি।
---
**রকেট ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— রকেট ইঞ্জিন হলো মহাকাশযান ও ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহৃত ইঞ্জিনের একটি প্রকার, যা মহাকাশে যানকে ধাক্কা প্রদান করে।
— রকেট ইঞ্জিনে **কার্বুরেটর বা ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমের ধারণা প্রযোজ্য নয়**, কারণ এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রযুক্তিতে কাজ করে।
— রকেট ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে সাধারণত তরল অক্সিজেন (LOX) ও তরল হাইড্রোজেন বা কেরোসিন ব্যবহৃত হয়।
— রকেট ইঞ্জিনে জ্বালানি ও অক্সিডাইজারকে উচ্চ চাপে দহন কক্ষে প্রবেশ করানো হয়, যা প্রচণ্ড শক্তি উৎপন্ন করে মহাকাশে যানকে ধাক্কা দেয়।
---
**বিমান ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বিমান ইঞ্জিন হলো বিশেষ ধরনের অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন, যা বিমানের উড্ডয়ন ও চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
— বিমান ইঞ্জিন প্রধানত দুই ধরনের হয়: **পিস্টন ইঞ্জিন** এবং **গ্যাস টারবাইন ইঞ্জিন (জ