ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) রাখালী
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর সাহিত্যকর্মে গ্রামীণ জীবনের চিত্র, প্রকৃতি ও মানবিক আবেগ অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো "রাখালী", "নকশী কাঁথার মাঠ", "সোজন বাদিয়ার ঘাট" প্রভৃতি। তাঁর লেখা কাব্যগুলো বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
**জসীমউদ্দীন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে।
— মৃত্যু: ১৪ মার্চ ১৯৭৬ সালে ঢাকায়।
— উপাধি: "পল্লীকবি" হিসেবে খ্যাতিমান।
— সাহিত্যকর্ম: তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো "রাখালী" (১৯২৭), "নকশী কাঁথার মাঠ" (১৯২৯), "সোজন বাদিয়ার ঘাট" (১৯৩৪), "হলুদ বরণী" (১৯৪৪), "মাটির কান্না" (১৯৫১) প্রভৃতি।
— বিশেষ অবদান: গ্রামীণ জীবনের চিত্রায়ণ ও বাংলার লোকসাহিত্যের সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন।
— পুরস্কার: ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক প্রাইড অফ পারফরম্যান্স পুরস্কার লাভ।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) চৈতালী: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ।
✗ গ) ফনিমনসা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি কাব্যগ্রন্থ।
✗ ঘ) আলো পৃথিবী: এটি শামসুর রাহমানের একটি কাব্যগ্রন্থ।
উৎস:
— জসীমউদ্দীন, "রাখালী" (১৯২৭)
— বাংলা একাডেমী চরিতাভিধান
— মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্যের পাঠ্যপুস্তক