ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ঐচ্চিক – অনাবশ্যিক
বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ হলো সেই শব্দযুগল যেগুলোর অর্থ পরস্পরের বিপরীত। যেমন: ভালো – মন্দ, আলো – অন্ধকার ইত্যাদি। বাংলা ভাষায় বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়ম প্রচলিত রয়েছে।
**বিপরীতার্থক শব্দ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের প্রধান নিয়ম হলো উপসর্গ যোগ করা। যেমন: সুখ – দুঃখ, ধনী – দরিদ্র।
— কিছু ক্ষেত্রে শব্দের শেষে প্রত্যয় যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠন করা হয়। যেমন: মান্য – অমান্য, সম্ভব – অসম্ভব।
— কিছু শব্দের বিপরীত শব্দ আলাদা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন: পিতা – মাতা, ভ্রাতা – ভগিনী।
— বাংলা ভাষায় কিছু বিদেশি শব্দের বিপরীত শব্দও ব্যবহৃত হয়। যেমন: ডেমোক্রেসি – ডিক্টেটরশিপ।
— বিপরীতার্থক শব্দ যুগলের অর্থ পরস্পরের সম্পূর্ণ বিপরীত হতে হবে। যেমন: উঁচু – নিচু, দিন – রাত।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) কুটিল – সরল: এই শব্দযুগল বিপরীতার্থক। "কুটিল" অর্থ কপট বা চালাক এবং "সরল" অর্থ সরল বা সোজা। এদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত।
✗ গ) কম – বেশি: এই শব্দযুগল বিপরীতার্থক। "কম" অর্থ অল্প এবং "বেশি" অর্থ অধিক। এদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত।
✗ ঘ) কদাচার – সদাচার: এই শব্দযুগল বিপরীতার্থক। "কদাচার" অর্থ খারাপ আচরণ এবং "সদাচার" অর্থ ভালো আচরণ। এদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত।
উৎস:
— বাংলা একাডেমি অভিধান (প্রথম সংস্করণ)
— বিপরীতার্থক শব্দ সম্পর্কিত বিভিন্ন ব্যাকরণ গ্রন্থ
— বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক