কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা কিসের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়?
কঘনীভবন
খবাষ্পীভবন
গগলনাংক✓
ঘস্ফুটনাংক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) গলনাংক
কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয়ের জন্য পদার্থের গলনাংক পরিমাপ করা হয়।
**গলনাংক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— গলনাংক হলো সেই তাপমাত্রা যেখানে কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয়।
— বিশুদ্ধ পদার্থের গলনাংক নির্দিষ্ট এবং স্থির থাকে। যেমন: বিশুদ্ধ পানির গলনাংক ০°C এবং বিশুদ্ধ বরফের গলনাংকও ০°C।
— অবিশুদ্ধ পদার্থের গলনাংক বিশুদ্ধ পদার্থের তুলনায় কম হয় এবং তা নির্দিষ্ট থাকে না। কারণ অবিশুদ্ধ পদার্থে অন্য পদার্থের মিশ্রণ থাকায় গলনাংকের পরিবর্তন ঘটে।
— বিশুদ্ধ পদার্থের গলনাংক পরিমাপ করে তা বিশুদ্ধ কিনা তা নির্ধারণ করা যায়। যদি পরিমাপ করা গলনাংক নির্দিষ্ট মান থেকে কম বা বেশি হয়, তাহলে পদার্থটি অবিশুদ্ধ বলে ধরে নেওয়া হয়।
— বিশুদ্ধ পদার্থের গলনাংক পরিমাপের জন্য সাধারণত থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ঘনীভবন: ঘনীভবন হলো গ্যাস থেকে তরলে রূপান্তর প্রক্রিয়া। এটি বিশুদ্ধতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় না।
✗ খ) বাষ্পীভবন: বাষ্পীভবন হলো তরল থেকে গ্যাসে রূপান্তর প্রক্রিয়া। এটি বিশুদ্ধতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় না।
✗ ঘ) স্ফুটনাংক: স্ফুটনাংক হলো সেই তাপমাত্রা যেখানে তরল পদার্থ গ্যাসে পরিণত হয়। বিশুদ্ধ পদার্থের স্ফুটনাংক নির্দিষ্ট হলেও এটি কঠিন পদার্থের বিশুদ্ধতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় না।
উৎস:
— মাধ্যমিক স্তরের পদার্থবিজ্ঞান বই (গলনাংক ও বিশুদ্ধতা সম্পর্কিত অধ্যায়)
— উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের রসায়নবিজ্ঞান বই (পদার্থের বিশুদ্ধতা নির্ণয় পদ্ধতি)
— বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক (সাধারণ বিজ্ঞান অংশ)