ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে লজিক সার্কিট প্রধানত দুই প্রকার: কম্বিনেশনাল (Combinational) এবং সিকুয়েন্সিয়াল (Sequential)।
কম্বিনেশনাল সার্কিট:
এই সার্কিটের বর্তমান আউটপুট শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের ওপর নির্ভর করে। এর কোনো মেমরি বা স্মৃতিশক্তি থাকে না এবং এতে কোনো ক্লক পালস (Clock pulse) ব্যবহৃত হয় না। ডিকোডার, এনকোডার, মাল্টিপ্লেক্সার, অ্যাডার এবং সমস্ত বেসিক ও ইউনিভার্সাল লজিক গেট (যেমন- NAND গেট) হলো কম্বিনেশনাল সার্কিট।
সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট:
এই সার্কিটের আউটপুট বর্তমান ইনপুটের পাশাপাশি পূর্ববর্তী আউটপুট (Past state)-এর ওপরও নির্ভর করে। এর জন্য মেমরি উপাদানের প্রয়োজন হয়। ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-flop) হলো এর মূল ভিত্তি। একাধিক ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে রেজিস্টার (Register) এবং কাউন্টার (Counter) তৈরি করা হয়। যেহেতু রেজিস্টার ডেটা বা স্মৃতি ধরে রাখতে পারে, তাই এটি একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, কম্বিনেশনাল নয়।
Source: Digital Fundamentals by Thomas L. Floyd.