বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধন্যাত্মক অব্যয়ের পর ‘আ’ প্রত্যয়যোগে যে সব ধাতু গঠিত হয়, সেগুলোকে
নামধাতু
বলা হয়।
যেমন –
– সে ঘুমাচ্ছে। এখানে, ‘ঘুম্’ থেকে নাম ধাতু ‘ঘুমা’।
– রাসেল ধমকাচ্ছে। এখানে ‘ধমক্’ থেকে নাম ধাতু ‘ধমকা’
তেমনিভাবে,
অপশনের ‘বেতা’ একটি নাম ধাতু।
‘বেত্’
এর সাথে ‘আ’ প্রত্যয়যুক্ত হয়ে
বেতা
নাম ধাতু গঠিত হয়েছে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০১৯ সংস্করণ)।