ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) কবিতার কথা
**ভূমিকা:**
বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ধারা। বিভিন্ন পরীক্ষায় উপন্যাস ও অন্যান্য সাহিত্যিক ধারার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়। এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সাহিত্যিক ধারাগুলোর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
---
**কবিতার কথা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— "কবিতার কথা" একটি প্রবন্ধগ্রন্থ, যা বিখ্যাত সাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু রচনা করেছেন।
— এটি মূলত বাংলা সাহিত্যের কবিতা সম্পর্কিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ সম্বলিত একটি গদ্যগ্রন্থ।
— বুদ্ধদেব বসু বাংলা সাহিত্যে আধুনিক কবিতার একজন অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত।
— গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে, যেখানে কবিতার প্রকৃতি, গঠন, ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
---
**উপন্যাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— **দিবারাত্রির কাব্য** (ক): এটি বিখ্যাত সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত।
— **হাঁসুলী বাঁকের উপকথা** (খ): এটি কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি গ্রামীণ জীবনের চিত্র তুলে ধরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
— **পথের পাঁচালী** (ঘ): এটি বিশ্বখ্যাত সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত এবং এর উপর ভিত্তি করে সত্যজিৎ রায় বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
---
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) দিবারাত্রির কাব্য: এটি একটি উপন্যাস, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত।
✗ খ) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা: এটি একটি উপন্যাস, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত।
✗ ঘ) পথের পাঁচালী: এটি একটি উপন্যাস, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত।
---
**উৎস:**
— মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, *দিবারাত্রির কাব্য* (১৯৩৫)
— তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, *হাঁসুলী বাঁকের উপকথা* (১৯৪৭)
— বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, *পথের পাঁচালী* (১৯২৯)
— বুদ্ধদেব বসু, *কবিতার কথা* (১৯৫৫)