ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ২০১২ সালে
**মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের জন্য মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আইনের মাধ্যমে দেশে অবৈধ অর্থের প্রবাহ রোধ এবং বৈধ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সুসংহত করা হয়।
**মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রথম প্রবর্তিত হয় **২০১২ সালে**। এই আইনের আনুষ্ঠানিক নাম হল **"মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২"** (Money Laundering Prevention Act, 2012)।
— এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো অবৈধ অর্থের উৎস গোপন করে বৈধ করার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা।
— আইনের অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনস্থ **বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU)** মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
— আইনটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে, বিশেষ করে **FATF (Financial Action Task Force)** এর নির্দেশিকা অনুসারে।
— এই আইনের অধীনে মানি লন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে **১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড** নির্ধারণ করা হয়েছে।
— পরবর্তীতে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে, যেমন **২০১৫ সালে সংশোধিত মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন**।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ **ক) ২০১১ সালে**: ২০১১ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রবর্তিত হয়নি। এই বছরটি আইন প্রবর্তনের পূর্ববর্তী সময়।
✗ **গ) ২০১৩ সালে**: ২০১৩ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়েছিল, কিন্তু প্রাথমিক প্রবর্তন হয়নি।
✗ **ঘ) ২০১৪ সালে**: ২০১৪ সালে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রবর্তন বা সংশোধন করা হয়নি।
**উৎস:**
— বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
— মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (প্রকাশিত আইন সংক্রান্ত সরকারি গেজেট)।