ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) ১৮৬১
<বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ সম্পর্কে জানা প্রতিটি সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।>
**মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হিসেবে স্বীকৃত।
— এটি রচিত হয়েছে অমিত্রাক্ষর ছন্দে, যা বাংলা সাহিত্যে মধুসূদন দত্তের অনন্য অবদান।
— কাব্যটির মূল বিষয়বস্তু হলো রামায়ণের যুদ্ধকাহিনী, যেখানে মেঘনাদ (ইন্দ্রজিৎ)-এর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
— কাব্যটির প্রথম সর্গে মেঘনাদকে যুদ্ধে যাওয়ার পূর্বে তার স্ত্রী প্রমীলার বিরহ বর্ণনা করা হয়েছে, যা পাঠকের মনকে গভীরভাবে স্পর্শ করে।
— মধুসূদন দত্ত এই কাব্যের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্য রচনার ধারাকে নতুন মাত্রা দেন।
— কাব্যটি প্রকাশের পর থেকেই ব্যাপক সাড়া জাগায় এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ১৮৬০: এটি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রকাশের এক বছর পূর্বের সাল। অনেকেই এই সালকে সঠিক বলে ভুল করতে পারেন।
✗ খ) ১৮৬৫: এটি প্রকাশের চার বছর পরের সাল। এই সালটি অনেক পরীক্ষার্থীর কাছে বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
✗ গ) ১৮৫৯: এটি প্রকাশের দুই বছর পূর্বের সাল। অনেকে এই সালকে সঠিক বলে ভুল করতে পারেন।
উৎস:
— মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনী ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রন্থ, যেমন: ‘মাইকেল মধুসূদন দত্ত: জীবন ও সাহিত্য’ (ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ), ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ (ড. দেবেশচন্দ্র সরকার)।
— বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও বিগত বছরের প্রশ্নপত্র।