ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) আইসোটোপ
ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা বিকিরণের উৎস সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান।
**আইসোটোপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— আইসোটোপ হলো একই মৌলের ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পরমাণু, যাদের প্রোটন সংখ্যা একই থাকে কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়।
— আইসোটোপের নিউক্লিয়াস অস্থিতিশীল হতে পারে, যার ফলে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নির্গত হয়। এই বিকিরণের মধ্যে গামা রশ্মিও অন্তর্ভুক্ত।
— চিকিৎসা ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ক্যান্সার চিকিৎসায়, আইসোটোপ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, **কোবাল্ট-৬০ (Co-60)** একটি আইসোটোপ যা উচ্চ শক্তির গামা রশ্মি নির্গত করে এবং ক্যান্সার কোষ ধ্বংসে ব্যবহৃত হয়।
— আইসোটোপের তেজস্ক্রিয়তা নির্ভর করে নিউট্রন সংখ্যার উপর। নিউট্রন সংখ্যা বেশি হলে পরমাণু বেশি অস্থিতিশীল হয় এবং বেশি শক্তিশালী বিকিরণ নির্গত করে।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) আইসোটোন: আইসোটোন হলো এমন পরমাণু যাদের নিউট্রন সংখ্যা একই থাকে কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন হয়। এটি গামা বিকিরণের উৎস নয়।
✗ গ) আইসোবার: আইসোবার হলো এমন পরমাণু যাদের ভর সংখ্যা একই থাকে কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়। এটি বিকিরণের উৎস নয়।
✗ ঘ) আইসোমার: আইসোমার হলো একই নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট পরমাণু যাদের শক্তির স্তর ভিন্ন থাকে। এটি বিকিরণের উৎস নয়।
**উৎস:**
- "Nuclear Physics" by Irving Kaplan
- "Radiation Oncology Physics" by International Atomic Energy Agency (IAEA)
- বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক (BCS, Bank, Primary)